আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।- বাক্যটিতে 'আমার' কোন কারক?
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ এ নহে মোর প্রার্থনা।- বাক্যটিতে 'আমার' কোন কারক?
-
ক
কর্তাকারক
-
খ
কর্মকারক
-
গ
করণ কারক
-
ঘ
অধিকরণ কারক
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম – উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে ‘কে’ বিভক্তি হয়। ক্রিয়াকে কি/কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই কর্ম কারক।
যেমন –
- সে রােজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
- বেগম রােকেয়া সমাজের নানা রকম অন্ধতা, গোঁড়ামি, ও কুসংস্কারকে তীব্র ভাষায় সমালােচনা করে গেছেন।
কর্ম কারকে বিভক্তির প্রয়োগ:
- রেখো মা দাসেরে মনে। [কর্মকারকে রে/দ্বিতীয়া বিভক্তি]
- বিপদে যেন করিতে পারি জয়। [কর্মকারকে সপ্তমী বিভক্তি]
- কোন কাননে ফুটল ফুল। [কর্মকারকে শুন্য বিভক্তি ]
- তার দেখা পাইনি।[কর্মকারকে ষষ্ঠী বিভক্তি]
- ডাক্তারকে ডাক। [কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি]
• ‘আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মোর প্রার্থনা’ - বাক্যটিকে কাকে দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘আমারে’।
- অতএব, ‘আমারে’ কর্ম কারকে রে/দ্বিতীয়া বিভক্তি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
Related Question
View All-
ক
কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তি
-
খ
কর্মকারকে প্রথমা বিভক্তি
-
গ
কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
-
ঘ
কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি
-
ক
সম্প্রদানে শূন্য
-
খ
কর্মকারকে শূন্য
-
গ
অধিকরণে শূন্য
-
ঘ
কর্তৃকারকে শূন্য
-
ক
কর্তায় শূন্য
-
খ
অপাদানে সপ্তমী
-
গ
কর্মে শূন্য
-
ঘ
করণে সপ্তমী
-
ক
কর্তায় সপ্তমী
-
খ
কর্মে সপ্তমী
-
গ
অপাদানে সপ্তমী
-
ঘ
অধিকরণে সপ্তমী
-
ক
কর্মে শূন্য
-
খ
করণে শূন্য
-
গ
কর্মে সপ্তমী
-
ঘ
করণে সপ্তমী
-
ঙ
কোনটিই নয়
-
ক
কর্মকারকে শূন্য
-
খ
কতৃকারকে শূন্য
-
গ
করণকারকে শূন্য
-
ঘ
কর্মকারকে ৭মী
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন